মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

সত্যিই সেলুকাস কি বিচিত্র এই রাস্তা বিহীন সেতুর বিন্যাশ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহঃ- 

বৈচিত্রময় এই দেশে বিচিত্র ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি এমন মানুষ পাওয়া অনেকটা আমবশ্যার চাঁদ হাতে পাওয়ার মত। তেমনি এক নতুন অভিজ্ঞতার কথা আজ সবার কাছে তুলে ধরছি। ময়মনসিংহের ধোবাউরা উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম লাঙ্গলজোড়া এলাকার রাস্তাবিহীন একটি সেতু। সেতুর দু’পাশে পানি আর মাঝ বরাবর সেতু। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়তের একমাত্র মাধ্যম। এতে গ্রামের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে গর্ভবতী মহিলাদেরকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। অগত্যা অনেকটা বাধ্য হয়েই স্থানীয় গ্রামবাসী সেতু পারাপারের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে। আর এতেই ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে গ্রামবাসীকে।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন-গত ১২ বছর আগে ওয়ার্ল্ড ভিশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা উদ্যোগে এই সেতুটি নির্মাণ করেন। কিন্তু গত জুলাই মাসে পাহাড়ী ঢলে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কটি ভেঙে যায়। এতেকরে আমাদের চলাচলে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। পরে আশপাশের গ্রামসহ স্থানীয় গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁশ দিয়ে সাঁকো বানায়।

এ নিয়ে কথা বলতে গেলে গামারীতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান বলেন-আপাতত এই সেতুর সংযোগ সড়ক পূনরায় নির্মাণ কাজের জন্য কোন বরাদ্ধ নাই। বরাদ্ধ এলে তখন কাজ করা হবে।

এদিকে ধোবাউড়া উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন-পাহাড়ি ঢলে সেতুটির দু’পাশের সংযোগ সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কথা আমি শুনেছি। তবে সেতুটির বিষয়ে এই মুহূর্তে আমার হাতে কোন তথ্য নেই। তবে আগামী সপ্তাহে খোজখবর নিয়ে আপনাদেরকে তথ্য দেওয়া যাবে।

অপরদিকে ধোবাউরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুজ্জামান সেতুটি সম্পর্কে বলেন-চলতি বছরে পাহাড়ি ঢলে ও বন্যায় উপজেলার অনেক আঞ্চলিক সড়কসহ সেতুর ক্ষতি হয়েছে। তবে এই ভেঙে যাওয়া সেতু ও সড়কের কাজ দ্রুতই মেরামত করা হবে বলে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জানালেন ধোবাউরা উপজেলা নির্বাহী এই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ