মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

১৫ আগস্ট এর শোক আমাদের শক্তির উৎস- উপমন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১

বার্তা প্রেরক- প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম:

বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশন (বাআবিঅফ)-এর উদ্যোগে শোষিত জনগণের মুক্তির দিশারী, স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে ১৫ আগস্ট স্মরণে” নিজে জ্বলে বিশ্বকে যে করেছে আলোকিত” শীর্ষক এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

২৮ আগস্ট (শনিবার), ২০২১ খ্রি. রাত ৮:০০ ঘটিকায় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত উক্ত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় উপমন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী, এম.পি.। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সভাপতি মো. আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি-১ প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম এর সঞ্চালনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য ও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম মাহবুব। ওয়েবিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাআবিঅফ-এর মহাসচিব জনাব মীর মো. মোর্শেদুর রহমান। এতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. এ. এস. এম শোয়াইব আহমেদ। পবিত্র গীতা পাঠ করেন বাআবিঅফ-এর সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব অরুণ কুমার বালা। অনুষ্ঠানে বাআবিঅফ-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং কর্মকর্তাগণ সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, “১৫ আগস্ট এর শোক আমাদের শক্তির উৎস। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে”। তিনি বলেন, “দেশের টেকসই উন্নয়নে সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অঞ্চলভিত্তিক অবদান রাখতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জনগণের ট্যাক্সের টাকার উপড় নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নের দিকে জোর দিতে হবে।” তিনি বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “পৃথিবীতে কালে কালে দেশে দেশে যে সকল মহামানব এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বহু রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেইসব মহামানবের মধ্যে অন্যতম। কারণ এ জাতির এবং বিশ্বের কল্যাণের কথা তিনি শুধু চিন্তাই করেননি, নিজের সবটুকু বিসর্জন দিয়ে সে অনুযায়ী আজীবন কাজও করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত বিশ্বের একটি দেশে পরিণত করতে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত করতে চেয়েছিলেন । কিন্তু ১৫ আগস্ট ’৭৫-এর ঘাতক নরপিশাচরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাঁর সকল স্বপ্নকেও হত্যা করে। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করছেন। আজকের বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত দিক থেকে পূর্বের তুলনায় অনেক এগিয়ে, এই অবস্থানে আনার মূল বীজ বপন করেছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁরই স্বপ্নের পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য বাংলাদেশ। ”

বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, “পৃথিবীতে কিছু মানুষের আবির্ভাব হয় যাঁদের মৃত্যু হয় না। তাঁরা কাল-কালান্তরে বেঁচে থাকেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ঠিক এমনি একজন মানুষ যিনি সারাজীবন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন কাঙাল রাজা, তিনি ছিলেন ভালবাসা দেওয়া-নেওয়ার কাঙাল। তাঁর বাল্যজীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দেখা যায় তিনি সব সময় গরীব, দুঃখী, চাষা-ভুষো মানুষদের নিয়ে ভাবতেন। ভিসি বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু আমাদের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানব জাতির নেতা”।  ১৫ আগস্টের কালরাতে শুধু বাংলাদেশের জনগণ তাদের মহান নেতাকেই হারাননি, বরং বিশ্ব একজন অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ককে হারিয়েছে”।

বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম মাহবুব বলেন, “বাংলাদেশকে উন্নতি করতে হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে ধারণ করে সে অনুযায়ী কর্ম করতে হবে”।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ