শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

সেতুর মাঝ বরাবর সৃষ্ট গর্তে ঘটছে দুর্ঘটনা-কর্তৃপক্ষে দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সেতুর দুই পাড়ের বাসিন্দা

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের কেশরগঞ্জ থেকে গারোবাজার যাতায়তের একমাত্র মাধ্যম সেতুটির মাঝ বরাবর স্লাবটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে সেই স্থানে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের চতুর দিকে রডগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সেতুটির বিশাল গর্তে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সেতুটি দিয়ে বড় ধরনের গাড়ীতো দুরের কথা রিক্সা বা ভ্যান চালানোই যেন এখন দূরহ হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি এভাবেই মুখ থুবড়ে পড়ে আছে যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও নানান কাজে মানুষ সেতুর এই পারের মানুষ ঐ পারে যাতায়ত করে থাকে। তবে একেবারে অবাধে নয় এক রকম ভয়ংকর পরিস্থিতিতে পার হতে হয় তাদেরকে। বর্তমানে সেতুটি দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মৃত্যু ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেতুটির বেহাল আবস্থা নিয়ে আমরা কথা বলি উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সালিনা চৌধুরী সুষমার সাথে। তিনি অনেকটা নিজের গাঁ বাচিয়ে বলেই বসলেন-যেহেতু রাস্তাটি এলজিইডির সেহেতু সেতু প্রসঙ্গে আমি কোন কথা বলতে চাচ্ছি না। আমাদের প্রশ্ন ছিল-জনগণ আপনাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন সুখ-দুখে তাদের পাশে থাকার জন্য। এমন প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

আমরা এবার মুখোমুখি হয় উপজেলা প্রোকৌশলী মাহাবুব মুর্শেদের কাছে। সেতুর দুরবস্তা সম্পর্কে তিনি বলেন-কে আর বাংলাদেশের অর্থায়নে ১৯৮৭ সালে নির্মিত হয় ৯ মিটাষ দীর্ঘ এই সেতুটি। সেতুটি সম্পর্কে আমি শুনেছি। ওই সেতু বরাবর আরেকটি নতুন সেতু নির্মানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির অনুমোদন আমরা পেয়ে যাব।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ