শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

রৌমারীতে পাঁকা ব্রীজের উপড়ে বাঁশের সাঁকো

মোঃ লিটন চৌধুরী রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পাশে শালুর মোড়ের কাছে আহাদ আলীর বাড়ির সংলগ্ন ডিসি রাস্তা। রাস্তাটির নিচে রয়েছে পাঁকা ব্রীজ এবং উপড়ে বাঁশের সাঁকো।

ঐ এলাকার জনগণের মুখে শুনাযায়, কয়েক বছর পূর্বে নির্মান করা হয়েছিল ব্রীজটি। নির্মানের ২ বছর পরেই বন্যার পানিতে ধসে পরে যায় ব্রীজের দুই পাশের মাটি। এবং ব্রীজটিও আস্তে আস্তে নিচু হতে থাকে, ও রাস্তার চেয়ে অনেক নিচু হয়ে যায়। দীর্ঘ ৬-৭ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও মাটি ভরাট করা হয়নি ব্রীজের দুই পাশে মেরামত করা হয়নি ব্রীজটি।

কথা বলছিলাম ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সাদিকুল ইসলাম শাপলার সাথে। তিনি বলেন এই রাস্তাটি সরাসরি ঢাকার সাথে যোগাযোগ রয়েছে, এবং তাই নয় কোন জরুরি অসুস্থ রোগী চিকিৎসার জন্য রৌমারী হাসপাতালে যাওয়ার মতো একটাই রাস্তা আমাদের এই কাউনিয়া চর ব্রীজের ওপর দিয়ে। কিন্তু ব্রীজটি কয়েক বছর পূর্বে নির্মান করা হয়েছিল কয়েক বছর পূর্বে বন্যার সময় ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রীজের দুই পাশের মাটি ধসে পরে যায় এতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে। অনেক কয়েক বছর গত হয়ে গেলেও নির্মান করা হয়নি ব্রীজটি। তাই আমাদের দাবি অতি তাড়াতাড়ি ব্রীজটি পূর্ণ নির্মান হলে এলাকার লোকজনের চলাচলের সুবিধা হবে।

ঐ এলাকার ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.আবু সাইদ বলেন এই রাস্তাটা দিয়ে হাজার, হাজার লোকজন প্রতি দিন চলাফেরা করে। কিছু দিন নৌকা দিয়ে পাড়াপাড় হয় লোকজন, সন্ধার পরে আর নৌকা থাকেনা বিপাকে পড়েন অনেকেই, এখানে রয়েছে একটা পাঁকা ব্রীজ কয়েক বছর পূর্বে বন্যার পানিতে ব্রিজটির দুই পাড় ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর স্রোতের কারনে ব্রীজের নিচের মাটি সরে যায় এতে ব্রীজটি রাস্তার চেয়ে অনেক নিচু হয়ে যায়,সামান্য বন্যা হলেই ব্রীজের উপড় দিয়ে পানির স্রোত বইতে শুরু করে , তাই অবশেষে তৈরি করা হয় বাঁশের সাঁকো। কিন্তু বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় সাঁকোটি অনেক দিন পানির নিচে থাকায় বাঁশ পচে ভেঙ্গেচুরে যাওয়ায় হাজার,হাজার মানুষ চলাচলে চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। ওখানে পাকা ব্রীজ নাথাকায় চলাচল করা খুবি কষ্টকর হয়ে পরেছে কোন প্রকার ভ্যান রিকশা মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারেনা।
সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি ব্রীজটি আবারও নির্মান ও দুই পাশে মাটি ভরাট করে দেওয়ার জন্য।

ঐ এলাকার মহিলা সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মোছাঃ মোনা খাতুন বলেন ব্রীজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। জনগণ খু্বি কষ্ট করে চলাচল করছেন আপনারা সাংবাদিক আপনারা যদি বিষয়টা মিডিয়ার কাছে তুলে ধরেন তাহলে দূরত্ব ব্রীজের কাজটি হতে পাড়ে।

এবিষয়ে ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মো.রেজাউল করিম( রিয়াজুল) জানান ব্রীজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। জরুরি অসুস্থ রোগী চিকিৎসার জন্য রৌমারী হাসপাতালে যেতে হলে, ঐ ব্রীজের উপড় দিয়ে যাওয়ার কোন ব্যবস্তা নেই। ভ্যান রিকশা চলাচলের অনুপযোগী। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পরে এখনও ঐ রাস্তার কোন
সরকারি বাজেট পাইনি বাজেট পেলেই ব্যবস্তা নিব।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ