শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

মহেশখালীকে বদলে দিতে পারে পর্যটন স্পটগুলো

মফিজুর রহমান, মহেশখালী প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি দ্বীপঞ্চল। সোনাদিয়া দ্বীপ সবচেয়ে দীর্ঘ বালুময় সমুদ্র সৈকত, রয়েছে আদিনাথ মন্দির ও অসাধারণ সুন্দর পাহাড়ি এলাকায় নির্মিত শেখ রাসেল শিশু পার্ক। এসব স্পটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলার পর্যটকরা ঘুরে বেড়ায়। পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা শাপলাপুর মিঠাছড়ি পাহাড়, শেখ রাসেল শিশু পার্ক, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, মাতারবাড়ির তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এ স্পটগুলো চিহ্নিত করার পর পর্যটক সমাগম লেগে রয়েছে। নিয়মিত দেখা যায় নতুন পর্যটকদের ঢল।

উপজেলার ছোট মহেশখালীতে ৪০ শতক জায়গায় ১০ লাখ টাকার ব্যয়ে নির্মিত বৃহত্তর শিশু পার্ক, সবুজ মাঠ, বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, মেঘ সব কিছুই অসাধারণ। স্পটগুলোকে আরও ঢেলে সাজানো গেলে প্রচুর পর্যটক আসবে। এতে পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটবে। এ পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে নতুন করে ছুটেছেন পর্যটকরা প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে। পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখাতে উপজেলা প্রশাসন গড়ে তুলেছে দৃষ্টিনন্দ শেখ রাসেল শিশু পার্ক। পাশাপাশি আরও একটি নতুন পর্যটন ষ্পট গড়ে তুলার সম্ভাবনা রয়েছে শাপলাপুরের মিঠাছড়ি পাহাড়ে। এ দুটি পর্যটন কেন্দ্র সবুজে সবুজে ছেয়ে গেছে পুরো পাহাড়, নানা গাছে ফুটেছে বিভিন্ন ধরনের ফুল। পাহাড়ি ঝর্ণাগুলোতে ছুটে চলেছে পানি। আর পাহাড়ের মাঝে ভয়েছে ছোট নদীতে আলাদা রূপ দিয়েছে পর্যটন এলাকাটিকে।

মিঠাছড়ি পাহাড়ের সৌন্দর্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুল হক নামের এক ব্যক্তি জানান, অনেক দিন পর, পাহাড় সবুজে সবুজে, ফুলে ফুলে নতুন রূপ পেয়েছে। এখন দেখতে অনেক ভালো লাগছে। অনেক পাহাড় দেখেছি। এত সুন্দর কখনো দেখিনি।

শেখ রাসেল শিশু পার্ক দেখতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বিনোদন কেন্দ্রে হাতি, জিরাফ, ড্রাগন, হরিণ, বাজপাখিসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণির প্রতিকৃতি, শুধু তা নয় সবুজ বনায়নে নানা প্রজাতির ফুল, ফল দেখে আমার অনেক অনন্দ লেগেছে। এ পার্কটি আগামীতে আরও সুন্দর করে সাজালে শিশু-কিশোরসহ সবাই বিনোদন উপভোগ করতে পারবে।

আদিনাথ মন্দিরে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমিতা বড়–য়া বলেন, মহেশখালী জেটিঘাট থেকে মন্দির পর্যন্ত পথটি কিভাবে শেষ হয়েছে বুঝতে পারিনি। এতো সুন্দর পাহাড়টি, আগে আসা হয়নি। তবে নতুন এসেছি তাই হেঁটে হেঁটে অনেক সুন্দর্য অনুভাব করছি। কীভাবে এতদূর হেঁটে আসলাম, পাহাড়ের সৌন্দর্যের কারণে বুঝতেই পারিনি। তবে চারপাশে কাজগুলো শেষ হলে চমৎকার পরিবেশ উপভোগ করার পাশাপাশি অবসর সময়টা অনেক ভালো কাটবে।

মহেশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হাই বলেন, শাপলাপুর-মিঠাছড়ি পাহাড়ে আমরা গিয়েছিলাম, অন্যান্য পাহাড়ের তুলনায় একটি অনেক উঁচু। এ পাহাড়ে দাড়ালে দেখা যায়, সবুজের সমারোহ। এটিও পর্যটন ষ্পট হিসেবে গড়ে তুলা যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ