শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

সোহেল  রানা, দীঘিনালা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১

তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলাধীন অনগ্রসর এবং দূর্গম এলাকার যাচাই-বাছাই ও যাচাই-বাছাই বিহীন ২৯২টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের বিশেষ বিবেচনায় জাতীয়করণ দাবীতে তিন পার্বত্য জেলার

বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রবাবর স্মারকলিপি প্রদান।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে তিন পার্বত্য জেলা বেসরকারি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
তিন পার্বত্য জেলার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি‘র সভাপতি জ্যোতি ত্রিপুরা সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি এ্যাড. মো: জসিম উদ্দিন মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, তিন পার্বত্য জেলার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: নিজাম উদ্দিন, উপদেষ্ঠা সাংবাদিক চাইথোয়াই মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি চন্দন লাল চাকমা, তিন পার্বত্য জেলার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি‘র ও রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
সুজন চাকমা প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তব্যে বলেন, জাতীয়করণ কালীন বিদ্যালয় পরিসংখ্যান তথ্য সঠিক না হওয়ায় তিন পার্বত্য জেলায় জাতীয়করণ যোগ্য যাচাই-বাছাই ও যাচাই-বাছাই বিহীন ২৯২টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকগণ জাতীয়করণ হতে বঞ্চিত হন। আমরা গভীরভাবে দুঃখের সহিত আজকের এই বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মানববন্ধনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে জানাচ্ছি যে, জাতিকে সু-শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দূর্গম, প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাচাই-বাছাই ও যাচাই-বাছাই বিহীন প্রায় ২৯২টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত রয়েছে, যেখানে দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় কোমলমতি শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পাচ্ছে। সেসব বিদ্যালয়গুলি “এসএমসি” এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। উক্ত বিদ্যালয়গুলোতে বিনাবেতন শিক্ষক/শিক্ষিকারা নিয়মিত পাঠদান অব্যাহত রেখে কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ সু-নিশ্চিত করে আসছেন। কিন্তু বিদ্যালয়ে অধ্যায়রত শিক্ষার্থীরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত। এছাড়া শিক্ষক/শিক্ষিকারা সততা ও নিষ্ঠার সহিত বিনাবেতনে নিয়মিত পাঠদান করে আসলেও বিদ্যালয়গুলোর কোন প্রকার উন্নয়ন বা শিক্ষক/শিক্ষিকাদের তেমন ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি, এমনকি বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকারা পরিবার পরিজন নিয়ে দিনের পর দিন মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন। তিনি আরো বলেন, যতদিন পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলো জাতীয় করনে আওতায় না আসছে, পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে নুন্যতম বেতন-ভাতার প্রদানের দাবী করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ