মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধু একজন সত্যিকার জ্যোতির্ময় মহানায়ক” : শিক্ষা উপমন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

চুয়েট থেকে মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলামঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে চুয়েট শিক্ষক সমিতির আয়োজনে “বঙ্গবন্ধু : বাংলাদেশের জ্যোতির্ময় মহানায়ক” শীর্ষক এক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২২ আগস্ট (রবিবার), ২০২১ খ্রি. সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত উক্ত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী, এম.পি. মহোদয়। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। উক্ত ওয়েবিনারে মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক। শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ জনাব এ.টি.এম. শাহজাহানের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. সানাউল রাব্বী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, “বঙ্গবন্ধু সত্যিকার অর্থেই জ্যোতির্ময় মহানায়ক হয়ে দেশের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও বেশি ভূমিকা রাখার আহবান জানান। এরকম চমৎকার একটি শিরোনামে ওয়েবিনার আয়োজনের জন্য তিনি চুয়েট শিক্ষক সমিতিকে ধন্যবাদ জানান।”

গেস্ট অব অনার হিসেবে চুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতায় জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাতির জনকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বসবাস করছি। ১৫ আগস্টে নির্মমভাবে উনাকে না হারালে বাংলাদেশ অনেক আগেই একটি আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতো।”

মূল আলোচক ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হলে জাতির পিতার লেখা বইগুলো আমাদের পড়তে হবে। জাতির পিতার অসীম ত্যাগ ও সাহসিকতার কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। তিনি বঙ্গবন্ধুকে একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনাবিদ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং জঙ্গিবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর ব্যাপারে সচেতন থাকার আহবান জানান।”

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ