মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

দু’জনই ছিলেন আপত্তিকর অবস্থা-অতঃপর ৩০ বছরের যুবকের সাথে ৫৫ বছরের নারীর সাথে বিয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহঃ-

দু’জনই ছিলেন আপত্তিকর অবস্থায় ৩০ বছর বয়সের এক যুবকের সাথে ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর সাথে আটক করেন ওই নারীর ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নে। অতঃপর ৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নে বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এই বিয়েকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এমন কি এলাকায় মিষ্টি পর্যন্ত বিতরন করা হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, গত ২রা সেপ্টেম্বর রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের এক তরুণের সাথে তার দূরসম্পর্কের দাদির সাথ আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলেন ওই নারীর ছেলে। এই দৃশ্য দেখে ওই নারীর ছেলে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গকে ডেকে ঘটনাটি জানায়। পরে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে সালিশ বসায়। বিয়ের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর পরই তরুন পালিয়ে যায়। পরে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গরা ওই নারীকে তরুনের বাড়িতে তুলে দিয়ে আসে। এদিকে ওই তরুণ ১দিন পালিয়ে থাকার পর গত ৫ সেপ্টেম্বর রবিবার তার বাড়িতে ফিরে আসলে ওই দিন আবারো এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গতকাল সোমবার সালিশে বসেন এবং দাদির সাথে ওই তরুণের বিয়ে হয়। তবে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রাম যেয়ে বিবাহিত দম্পতিকে পাওয়া যায় নাই। তবে ওই তরুণের পরিবারের সাথে কথা হলে তারা বলেন- এলাকার ইউপি সদস্য খাইরুল ইসলামসহ গণ্যমাণ্য ব্যক্তিরা সালিশের মাধ্যমে জোড় পূর্বক এই বিয়ে দেন। ওই নারীরও এই বিয়েতে মত ছিলোনা বলে জানালেন ওই তরুণের পরিবার।এদিকে ওই তরুণের বাবা বলেন-এই বিষয় নিয়ে এ যাবৎ ৩টা সালিশ হয়েছে। সালিশে আমি মাতব্বরদের পায়ে পড়েছি। তারপরও আমার অবিবাহিত ছেলেটাকে ৫৫ বছরে বুড়ির সাথে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে দিয়েছে।ওদিকে ওই তরুণের মা বলেন-সালিশে আমি প্রত্যেকটা মাতব্বরের পায়ে ধরে মাফ চেয়েছি। কিন্তু আমার কথা কেউ শোনেনি। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি বলেন-এই ঘটনাটি আমার জানা নেই। এছাড়া থানায় এ বিষয় নিয়ে
কেউ কোন কিছু বলেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ