মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

দীঘিনালায় র্যালি ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সোহেল রানা, দীঘিনালা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন সময়ে মৎস্য আইন
প্রতিপালন বিষয়ে শোভাযাত্রাসহ মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের বার্ষিক কর্ম সম্পাদন
কার্যক্রম‘র অংশ হিসাবে কাপ্তাই লেগে অন্তগত মৎস্য চাষী ও মৎস্যজীবিদের
উদ্বুদ্ধকরনে র‌্যালি ও আলোচলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(১৩সেপ্টম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়ে সমান
থেকে দীঘিনালা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের অংশ গ্রহনে
র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি মেরুং ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষ
ইউনিয়নের সামনে এসে শেষ হয়। পরে মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রহমান
করিব রতন সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দীঘিনালা
উপজেলা পরিষদ নারী ভাইস চেয়ারম্যান সীমা দেওয়ান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা
অর্বনা চাকমা প্রমূখ।
স্বাগত বক্তব্যে মৎস্য কর্মমর্তা অর্বনা চাকমা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় গাছ, পুষ্টির উৎস
মাছ পরিবেশ রক্ষায় বেশি করে গাছ লাগানে আর মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরন করতে
বেশি করে মাছ চাষ করতে হবে এবং বছরে তিন মাছ নদীতে ও সাগরে মাছ ধরা বন্ধ
রাখতে হবে। মে-জুলাই মাস মাছ ডিম দেয়। মাছ বড় হওয়া জন্য সুযোগ দিতে হবে।
এই তিন মাস সরকার পক্ষ থেকে র্স্মামাট কার্ডধারীদের সহয়তা প্রদান করা হয়।
মাছ চাষীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য মো: আব্দুল মালেক বলেন, সরকারের ঘোষনা মত আমরা
৩/৪মাস মাছ ধরা বন্ধ রাখি। তাহলে আজকে ছোট ও ডিমওয়ালা মাছ বড় হলে ধরতে
পারব, মাছ তো হারিয়ে যাচ্ছে না বড় হচ্ছে। আমরা সচেতন হলে সবকিছু করা
সম্ভব।
প্রধান অতিথি‘র বক্তব্যে উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, কাপ্তাই লেগের মাছ
ধরে বিক্রি করে অনেকে জীবিকা নিবাহ করে। ছোট মাছ ও ডিমওয়ালা মাছ ধরে কেন
এই সম্পদ নষ্ট করব। আমার সচেতন হলে আমাদের সম্পদ আমরাই রক্ষা করতে পারি। মানুষের
আমিষের চাহিদা ৮০% মাছ থেকে পূরন হয়।
প্রধান সভাপতির বক্তব্যে রহমান করিব রতন বলেন, মাছ চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়।
আমরা যদি নিজেদের পুকুরের ছোট মাছ ধরে যেমন বিক্রি করি না, তাহলে কেন
আমারা নদীর ছোট ও ডিমওয়ালা মাছ ধরে কেন বিক্রি করব। আমার নদীর মাছ বড় হওয়া
সুযোগ দেই এই মাছ তো আমারাই ধরে খাব ও বিক্রি করব। সকলে সচেতন হলে এই
প্রকৃতিক বড় সম্পদ মাছ আমরা রক্ষা করতে পারি।
আলোচনা সভা শেষে এবছরের সর্বশেষ সরকারী খাদ্য সহায়তা উপজেলার ১১শত৮৬ জন্য
চাষী ও মৎস্যজীবিদের মাঝে ২০ কেজি করে চাল বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ