মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

খাজনার রশিদটি ছিলো জাল, বিষয়টি ধরেও ফেলেছিলেন সাব-রেজিষ্টার, ধরেও ছেড়ে দিলেন তিনি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহঃ-

খাজনার রশিদটি জাল থাকায় বিষয়টি ধরে ফেলেছিলেন সাব-রেজিষ্টার কিন্তু কোন এক অজানা কারনে তাকে ছেড়েও দিলেন তিনি। গত ৫ সেপ্টেম্বর রবিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুর সাব-রেজিষ্টার অফিসে জাল খাজনার রশিদ দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে জমির দলিল রেজিষ্ট্রির সময় এক প্রতারক দলিল লিখককে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন সাব-রেজিষ্টার। প্রায় ৩ ঘন্টা আটক রেখে কোন ধরনের আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে কোন এক অজানা কারনে প্রতারক দলিল লিখককে ছেড়ে দেন সাব-রেজিষ্টার। সাব-রেজিষ্টারের এই ধরনের কান্ড দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীসহ আরো অনেকে। প্রতারক দলিল লিখক সজিবের বাড়ি গৌরীপুর পৌর এলাকার সতিষা এলাকায়। তিনি একজন বরখাস্ত হওয়া দলিল লিখক।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় যে. গত রবিবার দুপুরের দিকে দলিল লেখক আব্বাস আলী সরকার (সনদ নং-৪৩৬৩) সাক্ষরিত একটি দলিল রেজিষ্ট্রির জন্য উপজেলার সতিষা গ্রামের বরখাস্ত হওয়া দলিল লেখক সজিব সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে একটি জাল রশিদ জমা দেন। দলিলের কাগজপত্র যাচাই করার সময় সাব-রেজিষ্টারের কাছে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। সাথে সাথে ওই প্রতারক দলিল লেখক সজিবকে রেজিষ্টার অফিসের একটি কক্ষে আটকে রাখে। পরে প্রায় ঘন্টা তিনেক আটকে রাখার পর কোন এক অজানা কারনে কোন রকম আইনি পদক্ষেপ না নিয়েই প্রতারক দলিল লিখককে ছেড়ে দেন সাব-রেজিষ্টার। সাব-রেজিষ্টারের এই ধরনের আচরন দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন অন্যান্য দলিল লেখকগণ সাথে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সাধারন মানুষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন দলিল লেখক বলেন- জাল খাজনার রশিদসহ ভূয়া দলিল লেখক ধরা পড়ার পরও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ওই বন্ধ কক্ষেই মাটি চাঁপা দেওয়া হয়েছে। তবে তারা এই ঘটনার একটা সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ