মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

উন্মুক্ত হলো বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১

মফিজুর রহমান, মহেশখালী প্রতিনিধি:

৪ মাস পর উন্মুক্ত হলো বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার৷ সাথে জেলার সকল পর্যটন স্পটগুলো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক পর্যটক আসতে পারবেন কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে। শর্ত অনুযায়ী ৫০ শতাংশ কক্ষ ভাড়া দিতে পারবে হোটেল-মোটেল মালিকরা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেয়া হয় পর্যটন৷ সমুদ্র সকৈত এর সুগন্ধা পয়ন্টে বিকেল ৩টার দিকে দেখা যায়, বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কক্সবাজারে ছুটে এসেছেন অনেকেই।

হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ হোটেল ও গেস্ট হাউসের কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শেষ করে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কাজে ফিরেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। সৈকতের ছোট ছোট দোকান, হকার, শামুক-ঝিনুকের দোকানগুলোও খোলা হয়েছে।

কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘করোনায় ধুঁকছে সম্ভাবনার পর্যটনশিল্প। গত বছরের মতো এ বছরও বিপুল লোকসান গুনেছেন সংশ্লিষ্টরা। করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি সব ধরনের ব্যবসা সচল করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি আরো জানান, পর্যটন স্পর্ট উন্মুক্ত করা হলেও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ প্রয়োগে মাঠে থাকবে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত আমরা। প্রতিটি পয়েন্টে ট্যুরিষ্ট পুলিশের টিম কাজ করবে।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ‘করোনা সংক্রম বেড়ে যাওয়ায়, গত ৫ মাসে এ খাতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। এ ক্ষতি পুষিয়ে আনার প্রস্তুতি নিয়ে কর্মতৎপরতা শুরু হয়েছে। ব্যবসা সচল থাকলে ব্যবসায় গতি আসবে বলে আশা রাখছি।

উল্লেখ্য, এই বছরে করোনা সংক্রমণ আবারো বাড়তে থাকলে এপ্রিলের প্রথম থেকে বন্ধ হয়ে যায় সমুদ্র কক্সবাজারের সকল পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। সাথে বন্ধ থাকে হোটেল-মোটেলসহ সকল ধরণের কটেজও। পাশাপাশি পর্যটক ও স্থানীয়দের সমুদ্র সৈকতে নামার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় প্রশাসন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ