শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নির্মান করা হচ্ছে ভালুকা বন বিভাগের জমিতে দেয়াল

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি বিটের জামিরদিয়া মৌজায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বন বিভাগের প্রায় ৩০ একর বনভূমি গায়েরজোরে সেখানে নির্মান করছে সীমানা প্রাচীর।

এখনই এ ব্যাপারে আদালত, প্রশাসনসহ সর্বোপরি আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ রকম আরো জমি জবরদখল করতে থাকবে আর সরকার হারাবে শত শত কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি যা ভবিষ্যতে উদ্ধার করতে চরম বেগ পোহাতে হবে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে আমাদের কথা হয় ময়মনসিংহ বন বিভাগের কর্মকর্তা একেএম রুহুল আমিনের সাথে। তিনি বলেন-উপজেলার বিটের জামিরদিয়া মৌজায় সি এস ৬৭নং দাগের মোট জমি রয়েছে ৪৫.৮৮ একর। এরমধ্যে বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি রয়েছে ৩০ একর। আবার একই দাগে প্রায় ৫ একর জমি রয়েছে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর নামে। বন বিভাগের জমির চৌহদ্দির ৩ দিকে রয়েছে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি আর এক দিকে রয়েছে রাস্তা। আর খুব কৌশলে বন বিভাগের জমি জবরদখলের উদ্দেশ্যেই এই রাস্তার পাশেই নির্মান করা হয়েছে সীমানা প্রাচীর। এই সীমানা প্রাচীর নির্মানে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর পক্ষে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বেলাল ফকির তার মাস্তানদেরকে নিয়ে দিনের আলোতে প্রকাশ্যে আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বন বিভাগের জমির উপর নির্মান করেছে সীমানা প্রাচীর।

আদালতের দেওয়া একটি সূত্র থেকে জানা গেছে যে, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ২৩/২০১৭ সিভিল পিটিশন মোকাদ্দমায় বিজ্ঞ বিচারক গত ২১ সেপ্টেম্বর ৬৭ দাগের তফসিলে বর্ণিত জমিতে বাদী এবং বিবাদী পক্ষের কোন প্রকাষ প্রবেশ না করে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে কোন বাধাবিপত্তি সৃষ্টি না করতে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

এদিকে বন বিভাগ তাদের জমির উপর নির্মিত দেয়ালি ভেঙ্গে ফেলার জন্য ইতোমধ্যেই ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ভালুকা মডেল থানার ওসি বরাবর আবেদন করেছেন বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ বন বিভাগের কর্মকর্তা একেএম রুহুল আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ